April 7, 2026, 7:29 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ করবে জাতিসংঘের বিবৃতি: মিয়ানমার

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ করবে জাতিসংঘের বিবৃতি: মিয়ানমার

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যে বিবৃতি দিয়েছে, তাতে সর্বশেষ সংঘাতে পালিয়ে আসা ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে বলে দাবি করেছে মিয়ানমার। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মিয়ানমারের কার্যত নেতা অং সান সু চির কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, গত সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত ক্ষমতা চর্চা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজ্যটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এই বিবৃতির জবাবে সু চির কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ যে সংকট পার করছে, তা কেবল দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মধ্য দিয়ে নিরসন করা সম্ভব। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে মিয়ানমার সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৬ থেকে ১৭ নভেম্বর তাঁর মিয়ানমার থাকার কথা রয়েছে। এদিকে, মাহমুদ আলীর সম্ভাব্য মিয়ানমার সফরের একদিন আগে বাংলাদেশ সফরে আসবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। তাঁর সফরের অন্যতম এজেন্ডা রোহিঙ্গা সংকট। গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের শিকার হয় বিভিন্ন বয়সী রোহিঙ্গারা। এরপর থেকে প্রতিনিয়তই পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা। এতে চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। এমন বাস্তবতায় জাতিসংঘসহ দায়িত্বশীল বিভিন্ন মহল রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারকে তাগিদ দিয়ে আসছে। তবে রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমিতে নেওয়ার বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ এখনো নেয়নি মিয়ানমার।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর